বুধবার , ১০ আগস্ট ২০২২ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
insidebusinessnews.com
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. প্রবাস
  11. ফিচার
  12. বাণিজ্য
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিভাগীয় সংবাদ

হাই কোর্টের আদেশ বহাল, ‘কারাগারেই ফিরতে হবে’ সম্রাটকে

প্রতিবেদক
Newsdesk
আগস্ট ১০, ২০২২ ১২:০১ অপরাহ্ণ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন বাতিল করে হাই কোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, তা আপিল বিভাগেও বহাল রয়েছে।

হাই কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে সম্রাটের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যদের আপিল বেঞ্চ বুধবার তা খারিজ করে দেয়। এ বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি বোরহানউদ্দিন ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।

আদালতে সম্রাটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

নিম্ন আদালতের জামিনে মুক্তি পাওয়া সম্রাট এখন আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। আপিল বিভাগের আদেশের পর তাকে এখন ‘কারাগারেই যেতে হবে’ বলে দুদকের আইনজীবীর ভাষ্য।

দুদকের আবেদনে গত ১৮ মে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজহারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ সম্রাটের জামিন বাতিল করে দেয়। সম্রাটকে সাত দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয় সেদিন।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে সম্রাট আপিল বিভাগে আবেদেন করলে গত ৮ অগাস্ট শুনানি হয়। বুধবার সর্বোচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত দিল, তাতে হাই কোর্টের আদেশই বহাল থাকল।

চলতি বছরের ১০ এপ্রিল থেকে ১১ মের মধ্যে অস্ত্র, অর্থ পাচার, মাদক ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের চার মামলায় জামিন পান ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট। ৩১ মাস পর মুক্তি মেলে তার।

প্রায় দেড় বছর ধরে কারা তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাধীন ছিলেন সম্রাট। ১১ মে বিকালে জামিনের কাগজপত্র হাসপাতালে পৌঁছালে সেখানেই তার মুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সারা হয়। মুক্তির পরও তাকে হাসপাতালের ‘ডি’ ব্লকের সিসিইউতে ভর্তি রাখা হয় অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম খান পরদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘হার্টের ক্রনিক অসুখে’ আক্রান্ত সম্রাটকে হাসাপাতালেই রাখার পক্ষে তারা। তবে তবে পরিবার চাইলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অন্য হাসপাতালে বা বিদেশে নিয়ে যেতে পারেন।

এদিকে সম্রাটের জামিন আদেশ বাতিল চেয়ে গত ১৪ মে হাই কোর্টে ‘রিভিউ’ আবেদন করে দুদক। চার দিন পর সম্রাটের জামিন বাতিল করে আদেশ দেয় হাই কোর্ট।

দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সেদিন বলেছিলেন, “হাই কোর্ট বলেছেন বিচারক মামলার গুণাগুণ বিচার না করে, শুধু মেডিকেল গ্রাউন্ডে এ জামিন দিয়েছেন।”

তিনি বলেন, কেউ যদি স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে জামিন চান, তাহলে বিচারককে মেডিকেল রিপোর্ট কল করতে হবে, সেই রিপোর্ট পর্যালোচনা করতে হবে, এবং দুইপক্ষকে শুনতে হবে, তারপর জামিন দেবে কিনা আদালত সিদ্ধান্ত নেবে।

“কিন্তু বিচারক ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দিয়েছে, হাই কোর্ট আদেশে ঠিক এইভাবে অবজার্ভেশন দিয়েছে। বিচারক এই জামিন দিয়েছেন ২০২০ এবং ২০২১ সালের প্রথম দিকের দুটি মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে, শেষের দিকে লিখে দিয়েছেন আগামী ৯ তারিখের (৯ জুন) রিপোর্ট দাখিল করতে হবে।”

২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে আত্মগোপনে চলে যান দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত এই নেতা সম্রাট।

এরপর ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

সেদিন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়ার কথা জানানো হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে।

কার্যালয়ে ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয়। পরে অর্থপাচার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

অস্ত্র মামলা: সম্রাটের বিরুদ্ধে দায়ের করা চার মামলার মধ্যে রমনা থানার অস্ত্র মামলাটিতে ২০১৯ সালে বছর ৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এই মামলায় সম্রাটের জামিন হয় চলতি বছরের ১০ এপ্রিল।

অর্থ পাচার মামলা: সম্রাটের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা হয় ২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। এরপর ৯ ডিসেম্বর মাদক মামলায় সম্রাট ও সহযোগী আরমানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে র‌্যাব। এই মামলায় সম্রাটের জামিন হয় অস্ত্র মামলার জামিন হওয়ার দিনে, অর্থাৎ ১০ এপ্রিল।

মাদক মামলা: ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা হয় ২০১৯ সালে। এই মামলায় সম্রাটের জামিন আদেশ আসে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা: ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। গত ১১ মে এ মামলায় জামিন পেলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ মামলা বর্তমানে অভিযোগ গঠনের শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

মানুষ কষ্ট করছে, প্রধানমন্ত্রীরও ঘুম নেই : ওবায়দুল কাদের

ড. ইউনূসকে ১২ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

মগবাজারে রহস্যজনক বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে সাতজন।

মগবাজারে রহস্যজনক বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে সাতজন।

বিএনপি নেতাকর্মীদের মুখে গুম-খুনের অভিযোগ মানায় না: কামরুল ইসলাম

ইরান-ইসরাইল পরিস্থিতি কোন পথে?

বেসরকারী হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় সরকার  নির্ধারণ করে দেবে -স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বেসরকারী হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় সরকার নির্ধারণ করে দেবে -স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকা নিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সহধর্মীনি  ।

টিকা নিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সহধর্মীনি ।

ভাষার মাসে চাকমা ভাষার পঠণ সহায়ক শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন পানছড়ির উপজেলা প্রশাসন ।

ভাষার মাসে চাকমা ভাষার পঠণ সহায়ক শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন পানছড়ির উপজেলা প্রশাসন ।

ছাত্রলীগ নেতার মামলা, ৭ দিনের মধ্যে নুরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে হাজিরের নির্দেশ

পোশাক শ্রমিকদের জন্য নূন্যতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ