স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার কেউ নেই, সংসদের প্রথম অধিবেশন পরিচালনা করবেন কে? প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়ে। সংবিধান মোতাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের পরিচালনার কথা।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবিধানের সব ধারা আক্ষরিকভাবে মানতে হবে, তা নয়। সংসদ সদস্যদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য একজন অধিবেশন পরিচালনা করে নতুন স্পিকার আর ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করতে পারেন।
মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ, চলছে সেই প্রস্তুতি। আর এর মধ্য দিয়ে গঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। সংবিধান অনুযায়ী শপথের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান করবেন। কিন্তু কার নেতেৃত্বে বসবে সেই অধিবেশন।
পাঁচ আগস্ট পরবর্তী বাস্তবতায় স্পিকার পদত্যাগ করে নিরুদ্দেশ। ডেপুটি স্পিকার ফৌজদারি মামলায় জেলে। তাহলে নতুন স্পিকার নির্বাচন না করা পর্যন্ত অধিবেশন পরিচালনা করবে কে? সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ বলছে, এক্ষেত্রে যে কোনো সদস্য স্পিকারের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
আইনবিদ ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলছেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে সংবিধানের আক্ষরিক বিধান সবর্দা মানা কঠিন।
তারা বলেন, তারেক রহমানের সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অধীনে। নতুন রাষ্ট্রপতি না আসলে সাহাবুদ্দিনই প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদের প্রথম অধিবেশন আহবান করবেন।
সেখানে তিনি ভাষণও দেবেন। আর সরকারি দল, বিরোধীদলসহ সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সেই ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন।
এই দুই বিশ্লেষক বলছেন, দেশে গণতন্ত্রের এই যাত্রাপথে সব পক্ষকেই অযথা আইনী বিতর্ক বন্ধ রেখে রাজনৈতিক ঐক্য ধরে রাখতে হবে।














