বৃহস্পতিবার , ১১ আগস্ট ২০২২ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
insidebusinessnews.com
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. প্রবাস
  11. ফিচার
  12. বাণিজ্য
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিভাগীয় সংবাদ

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলে প্রাথমিক এর পাঠদান

প্রতিবেদক
Newsdesk
আগস্ট ১১, ২০২২ ১১:২১ পূর্বাহ্ণ

গত শনিবার বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির জরাজীর্ণ চার কক্ষের ভবনের একটিতে বিদ্যালয়ের কার্যালয় আর তিনটিতে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ভাঙা ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে রড বেরিয়ে আছে। বৃষ্টি এলেই পড়ছে পানি। কক্ষের দেয়াল, ছাদ, পিলার ও বিমে ফাটল ধরেছে। অনেক জায়গায় শ্রেণিকক্ষের মেঝে দেবে গেছে। এ অবস্থায় জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় আড়াই শ কোমলমতি শিশু পাঠ গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৯৮ সালে চার কক্ষবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে এ ভবনের তিনটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও একটি কক্ষ বিদ্যালয়ের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের অনেক জায়গায় দেয়াল, পিলার ও বিমে ফাটল। দেবে গেছে মেঝে এবং খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনে প্রায় আড়াই শ শিক্ষার্থীকে পাঁচজন শিক্ষক পড়াচ্ছেন। এ বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. বরকত ও আফসিন জাহান বলে, ভাঙা কক্ষে পড়তে তাদের অনেক ভয় লাগে। এমনকি পড়া চলাকালে প্রায়ই ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে তাদের অনেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

জাহাঙ্গীর হোসেন ও শামসুল ইসলাম নামের দুজন অভিভাবক বলেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তাঁরা শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকেন। যে কারণে অনেকে তাঁদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে দ্বিধাবোধ করেন। কর্তৃপক্ষের দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মণি রানী সরকার বলেন, বিদ্যালয়ের একমাত্র ভবনটি এমন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ নিয়ে তাঁরা উদ্বেগ–উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনে শিশুদের পড়াতে হচ্ছে। এতে দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে। ভবনের বর্তমান অবস্থা ও ২১ শতাংশ জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের চাহিদা জানিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলোতে একাধিকবার চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক বলেন, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আবেদন পেয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নতুন ভবনের জন্য প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন। আশা করছেন, চলতি অর্থবছরে নতুন ভবন অনুমোদন হতে পারে।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল হওয়া জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

খাগড়াছড়িতে “বরক ব্লাড ব্যাংক’র প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন:

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা কেলেঙ্কারি: পরিবেশ দূষণ ও দুর্নীতির অভিযোগের কেন্দ্রে বসুন্ধরা, তদন্তে দুদক

‘ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করে অধিকার হরণ করা হচ্ছে’

গত দূর্গাপুজায় কুমিল্লার ঘটনার দিন নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি: তথ্যমন্ত্রী

আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা  নববর্ষ বঙ্গাব্দ ১৪২৮।

আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ বঙ্গাব্দ ১৪২৮।

সোনালী ব্যাংকে জমা দিতেই ডাচ বাংলার সোয়া তিন কোটি টাকা উধাও!

খাগড়াছড়িতে পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ বিতরণ:

অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

উসকানিমূলক ভিডিও সরাতে ফেসবুক-ইউটিউবকে আইনি নোটিশ